মঙ্গলবার, জুলাই ২৫, ২০১৭ ,১০ শ্রাবণ ১৪২৪
৩০ নভেম্বর ২০১৬ বুধবার , ৪ : ৪৯ অপরাহ্ন

  • বিধবাকে গলা কেটে হত্যা, রূপগঞ্জে আটক ৭

    x

    Decrease font Enlarge font

    gটাইমস নারায়ণগঞ্জ (রূপগঞ্জ প্রতিনিধি): রূপগঞ্জে রাজিয়া বেগম (৪০) নামে এক বিধবা মহিলাকে জবাই করা হত্যা করা হয়েছে। পরকীয়া প্রেমের জের ধরে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়দের ধারনা। গত ২৯ নভেম্বর মঙ্গলবার রাতে উপজেলার মুড়াপাড়া ইউনিয়নের হাউলিপাড়া এলাকায় এই হত্যার ঘটনা ঘটে।

    এ ঘটনায় পুলিশ বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ ব্যাক্তিকে আটক করেছে। রূপগঞ্জ থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মুড়াপাড়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাঁও এলাকার আয়েত উল্লাহ মিয়া ৪ ছেলেমেয়ে ও স্ত্রী রেখে প্রায় ১০ বছর পূর্বে মারা যান। স্বামী মারা গেলে আয়েত উল্লাহর স্ত্রী রাজিয়া বেগম পার্শবর্তী হাউলিপাড়া এলাকার নাসিরউদ্দিন নাসু নামে এক ব্যক্তির পতিত জমিতে ঘর তৈরী করে বসবাস শুরু করেন। এরপর থেকে রাজিয়া বেগমের সাথে নাসিরউদ্দিনের গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠে। এদিকে, বেশ কিছুদিন যাবত নাসিরউদ্দিন নাসু অসুস্থ হয়ে পরলে রাজিয়া বেগমই তাকে চিকিৎসকের কাছে আনা নেয়া করতেন।

    মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে ডাক্তার দেখিয়ে নাসিরউদ্দিন ও রাজিয়া বেগম বাড়ী ফেরার পথে হাউলিপাড়া এলাকার আয়েত উল্লাহ মোল্লার পুকুর পাড়ে পৌছলে রাজিয়া বেগমকে অজ্ঞাত দূর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথারী কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে। তবে রহস্যজনকভাবে নাসিরউদ্দিনকে কিছুই করেনি তারা। ঘটনার পর থেকে নাসিরউদ্দিন বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। পরকিয়া প্রেমের জেরে নাসিরউদ্দিনের ছেলেরাসহ তার সহযোগীরা রাজিয়াকে হত্যা করেছে বলে স্থানীয়দের ধারনা।

    এই ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নাসিরউদ্দিন নাসুর ছেলে বুলবুল, ইব্রাহিম, আরমান, তাদের বন্ধু মজিদ মিয়ার ছেলে ফারুক, পঞ্চু মিয়ার ছেলে শান্ত, প্রান্ত, সালাউদ্দিনের ছেলে রাজিবকে আটক করেছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

    এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) জসিম উদ্দিন বলেন, আমরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নাসিরউদ্দিনের ৩ ছেলেসহ তাদের আরো ৪ বন্ধুকে আটক করেছি। তারা হত্যাকান্ডের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দিয়েছে। যা তদন্তের স্বার্থে আপাতত প্রকাশ করা সম্ভব নয়। ২/১ দিনের মধ্যেই হত্যার আসল মোটিভ জানা যাবে।