বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৭ ,৪ কার্তিক ১৪২৪
২৯ ডিসেম্বর ২০১৬ বৃহস্পতিবার , ৮ : ১৩ অপরাহ্ন

  • জিমখানায় অবৈধ অটোরিক্সার ষ্ট্যান্ড বসিয়ে চাঁদাবাজি

    x

    Decrease font Enlarge font

    14টাইমস নারায়ণগঞ্জ: সরকার ঘোষিত নিষিদ্ধ ব্যাটারী চালিত ইজি বাইক (অটো রিক্রা) বন্ধ হচ্ছে না কিছুতেই। সড়ক-মহাসড়কে দিনদিন এরা খুবই বেপোরোয়া ভাবে অবাধে চলাচল করছে। এক শ্রেণীর স্থানীয় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ আর মাদক ব্যবসায়ীরা অনুমোদনহীন এসব অবৈধ অটো

    রিক্রা গুলোর ষ্ট্যান্ড নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ভেতরে ও বাইরে বসিয়ে প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। এই টাকা পাচ্ছে না নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, পাচ্ছে না নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন। শহরের জিমখানা (মদিনা মার্কেট) এলাকায় গড়ে উঠেছে এই ব্যাটারী চালিত অটো রিক্রার একটি অবৈধ ষ্ট্যান্ড। পাশ্ববর্তী অবস্থিত একটি মসজিদের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে এসব সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী আর চাঁদাবাজরা গড়ে তুলেছে এই অবৈধ ষ্ট্যান্ড। মোটা অংকের টাকার ধান্দায় নতুন এক মিশনে নেমেছে শহরের জিমখানার এসব ষ্ট্যান্ডবাজরা। আগামী ১লা জানুয়ারী থেকে তাদের বসানো ষ্ট্যান্ডে চলাচলরত সকল ইজি বাইক চালকদের বলা হয়েছে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে আরো ৫ টাকা করে বাড়িয়ে নিতে। এই নিয়ম কেউ না মানলে তারা তাকে এই ষ্ট্যান্ডে গাড়ি রাখতে দিবেনা বলে জানা যায়। কাশিপুর দেওয়ান বাড়ি, হাটখোলা, খিল মার্কেট, ডিগ্রিরচর এলাকা থেকে নির্ধারিত ১০/১৫ টাকায় সাধারন যাত্রিরা চলাচল করতো।

    প্রতিদিন এই সড়ক গুলোতে চলাচলরত গাড়ি প্রতি ৪০/৫০ টাকা করে নেওয়া হয় ষ্ট্যান্ড ভাড়া। ইজি বাইকের সংখ্যা আনুমানিক ৪ থেকে ৫শ’র মত। ১লা জানুয়ারী থেকে তাদের দিতে হবে ৫ টাকা করে বার্তি ভাড়া। সরেজমিনে দেখো গেছে, প্রতিটি ইজি বাইকে একটি করে ভাড়ার চার্ট টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কাশিপুর দেওয়ান বাড়ি এলাকার এই সড়কে চলচলরত এক যাত্রি জানান, আমি প্রতিদিন ১০ টাকায় দেওয়ান বাড়ি থেকে জিম খানায় যাই, এখন থেকে আমাকে আরো ৫ টাকা বাড়িয়ে ১৫ টাকা দিতে হবে। যদি এমনটি হয় তাহলে শহরের স্কুল এবং কলেজে অধ্যায়নরত আমাদের ছেলে মেয়েদের কি হবে। তাদের প্রতিদিন যাওয়া ও আসা বাবদ ২০ টাকা গাড়ি ভাড়া লাগে। এটা রীতিমত অন্যায়। কি কারনে ভাড়া ভারানো হবে। ইজি বাইক কি তেলে চলে, না ডিজেলে? মালিকের প্রতিদিনের জমার টাকাতো বাড়েনি। চলতি ২০১৬ সালে কাশিপুর দেওয়ান বাড়ি থেকে শহরের মর্গ্যান স্কুল পর্যন্ত একটি অটো রিক্রার অবৈধ ষ্ট্যান্ড ছিল। ঘাতক এসব অটো রিক্সা গুলো বহু শিশুর প্রান কেড়ে নেওয়ায় এলাকাবাশি বন্ধ করে দিয়েছিল ওই অবৈধ ষ্ট্যান্ডটি এ কথা সকলেরই কমবেশী জানা। জনমনে প্রশ্ন থাকে, এতো কিছুর কেন এসব অবৈধ অটো রিক্রা চালকদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে অবৈধ ষ্ট্যান্ডবাজরা প্রতি মাসে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। এসব বিষয়ে কি নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এর নবনির্বাচিত মেয়র মহাদয় এবং সুযোগ্য নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মহদয়ের কি কিছুই করার নেই। আর কতদিন এসব স্থানীয় সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী আর চাঁদাবাজরা তাদের রাম রাজত্ব কায়েক করবে।