বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৭ ,৪ কার্তিক ১৪২৪
০৫ জানুয়ারী ২০১৭ বৃহস্পতিবার , ৮ : ৩১ অপরাহ্ন

  • গ্রেফতার হয় শুধুই খোরশেদ ॥ বেঁচে যায় আওয়ামীলীগার শকু!

    x

    Decrease font Enlarge font

    T-5টাইমস নারায়ণগঞ্জ: সদ্য সমাপ্ত নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থীত ১২ জন ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেও দলীয় কর্মসূচি পালনে শুধুমাত্র ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর খোরশেদ ছাড়া আর কাউকে রাজপথে দেখতে না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি’র মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। দলীয় পরিচয়ে রাজনীতির সুযোগ সুবিধা ভোগ করে দলের প্রয়োজনে গর্তে লুকানো এসব নাম সর্বস্ব নেতাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

    ঘটনাসূত্রে প্রকাশ, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ক্ষমতার বাইরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। এই দীর্ঘ সময়ে সরকার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে মিছিল মিটিং করায় পুলিশের হামলা মামলার শিকার হতে দেখা গেছে নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের আহবায়ক ও ১৩ নং ওয়ার্ডের তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদকে। অথচ বিএনপি’র পরিচয়ে জন প্রতিনিধি হওয়া অনেক বিএনপি নেতাকে দেখা গেছে সরকারী দলের সাথে আতাত করে গ্রেফতার এড়িয়ে বিলাসী জীবন যাপণ করতে। যারা আবার কিনা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ফটোসেশন করে রাজপথে থাকা আন্দোলন সংগ্রাম করা নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে কটু মন্তব্য করেন। আর তাই এ সকল নাম সর্বস্ব নেতাদের দল থেকে বহিস্কার করে যোগ্যদের হাতে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি’র নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার দাবী জোরালো হয়ে উঠছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক বিএনপি কর্মী ক্ষেভের সঙ্গে জানায়, খোরশেদ ভাই একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে বিএনপি’র কর্মসূচি পালনে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করছেন। আর এ কারনে পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বহুবার। কিন্তু ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকুতো কোনদিন মিছিল মিটিংয়ে আসেন না। পুলিশের হামলা মামলার শিকারও হন না। অথচ তিনিও একজন বিএনপি নেতা এবং এই পরিচয়ে তিনবার ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। নারায়ণগঞ্জে দলীয় কর্মসূচি পালনের দায় কি শুধু খোরশেদ ভাইয়ের!

    এ সময় অপর এক বিএনপি কর্মী বলেন, শকুতো নামে বিএনপি। তার প্রকৃত পরিচয় হচ্ছে তিনি সরকারী দলের গুপ্তচর। বিএনপিতে থেকে শকু সরকারী দলের কাছে বিএনপি’র সকল তথ্য পাচার করে। তাই পুলিশও শকুকে কিছু বলে না। খোরশেদ ভাইও যদি সরকারী দলের সাথে আতাত করে চলতো, তাহলে তাকেও পুলিশের নির্যাতনের শিকার হতে হতো না। নারায়ণগঞ্জ বিএনপি যতদিন পর্যন্ত শকুর মতো গুপ্তচরমুক্ত না হবে, ততদিন পর্যন্ত মেরুদন্ড সোজা করে দাড়াতে পারবে না।