বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৩, ২০১৭ ,৮ চৈত্র ১৪২৩
১০ জানুয়ারী ২০১৭ মঙ্গলবার , ৮ : ১৫ অপরাহ্ন

  • ঢাকার জনসভায় শ্রমিক নেতা পলাশের বিশাল শোডাউন

    x

    Decrease font Enlarge font

    12টাইমস নারায়ণগঞ্জ: ১০ জানুয়ারী বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যাণে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আয়োজিত জনসভায় জাতীয় শ্রমিকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও ফতুল্লা আঞ্চলিক শাখার সভাপতি আলহাজ্ব কাউসার আহমেদ পলাশের নেতৃত্বে বিশাল শোডাউন করেছে জাতীয় শ্রমিক লীগ ফতুল্লা আঞ্চলিক শাখার নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার বিকেলে লাল পতাকা নিয়ে আর মাথায় লাল কাপড় বেঁধে মিছিল সহকারে কয়েকহাজার নেতাকর্মীরা যোগ দেয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যাণের জনসভায়।

    মিছিলে আরো উপস্থিত ছিলেন ফতুল্লা আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক এসএম হুমায়ুন কবীর, কোষাধ্যক্ষ রুহুল আমীন, বাংলাদেশ আন্ত:জেলা ট্রাক চালক ইউনিয়ন দক্ষিণ বঙ্গের লাইন সেক্রেটারী আবুল হোসেন, ইউনাইটেড ফেডারেশন অব গার্মেন্টস ওয়ার্কাস নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেন্টু, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব আহমেদ রাজু, লোড আনলোড শ্রমিক ইউনিয়নের জেলা সভাপতি জাহাঙ্গির হোসেন, ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের জেলা সভাপতি গোলাম কিবরিয়া সাত্তার, শেখ মুহাম্মদ ইমন আলী প্রমূখ।

    প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বিজয় অর্জনের পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের বন্দি দশা থেকে মুক্তি পেয়ে রক্তস্নাত স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলা-দেশের মাটিতে পা রাখেন।

    জীবন-মৃত্যুর কঠিন চ্যালেঞ্জের ভয়ঙ্কর অধ্যায় পার হয়ে সারা জীবনের স্বপ্ন, সাধনা ও নেতৃত্বের ফসল স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশে মহান এ নেতার প্রত্যাবর্তনে স্বাধীনতা সংগ্রামের বিজয় পূর্ণতা পায়। জাতির পিতা তাঁর এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে আখ্যায়িত করেছিলেন 'অন্ধকার হতে আলোর পথে যাত্রা।'

    ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা দিয়েছিলেন 'এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।' বঙ্গবন্ধুর এ ঘোষণার পর ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। 'অপারেশন সার্চলাইট' নামের এ অভিযানের শুরুতেই পাক হানাদাররা বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডির বাসা থেকে বন্দী করে নিয়ে যায়। গ্রেফতারের আগ মুহূর্তে স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে যান বঙ্গবন্ধু।

    গ্রেফতার করে পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী করা হলেও তাঁর অনুপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর নামেই চলে মুক্তিযুদ্ধ। বাঙালি যখন প্রতিরোধ যুদ্ধ গড়ে তুলেছে, বঙ্গবন্ধু তখন পাকিস্তানের কারাগারে প্রহসনের বিচারে ফাঁসির আসামী হিসাবে মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন। কারাগারে বঙ্গবন্ধুর সেলের পাশে তাঁর জন্য কবর পর্যন্ত খোঁড়া হয়েছিল।

    বাঙালি জাতির মহান এক বিজয়ের ফলেই বঙ্গবন্ধু নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ফিরে আসেন। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর লন্ডন-দিল্লি হয়ে তিনি ঢাকায় পৌঁছেন ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী।