বুধবার, ফেব্রুয়ারী ২২, ২০১৭ ,৯ ফাল্গুন ১৪২৩
১১ জানুয়ারী ২০১৭ বুধবার , ৮ : ২৩ অপরাহ্ন

  • সুগন্ধার খাবার ক্রয়ে নিষিদ্ধ পলিথিনের শপিং ব্যাগ সাপ্লাই!

    x

    Decrease font Enlarge font

    07টাইমস নারায়ণগঞ্জ: সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগে দোকানের নাম ঠিকানা প্রিন্ট করে ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে নারায়ণগঞ্জের সুগন্ধা বেকারীর বিরুদ্ধে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নাকের ডগায় এমন বেআইনী কাজ চলে আসলেও নেই কোন কার্যকরী পদক্ষেপ। তাই ক্ষুব্দ নারায়ণগঞ্জবাসী অবিলম্বে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এসব পলিথিন শপিং ব্যাগ ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।

    সরেজমিনে নারায়ণগঞ্জের সুগন্ধা বেকারীর দোকানগুলোতে গিয়ে মিলেছে অভিযোগের সত্যতা। ব্যবহারের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন শপিং ব্যাগের দুই পাশে লেখা রয়েছে সুগন্ধা বেকারীর নাম ও ঠিকানা। দোকান থেকে ক্রেতারা যে পণ্যই কিনছেন, বিক্রেতারা সেই শপিং ব্যাগেই তাদেরকে পণ্য সরবরাহ করছেন।

    এ বিষয়ে চাষাঢ়া সুগন্ধা বেকারীর সুপারভাইজার জাহিদ হোসেন টাইমস নারায়ণগঞ্জকে বলেন, আমাদের মালিক নুরুল হক আনসারী  আমাদের খাবার হোটেল সুগন্ধা প্লাস এর জন্য রমজান মাসে কিছু প্লাস্টিকের শপিং ব্যাগ তৈরী করেছিলেন। রমজানের পর সেগুলো রয়ে যাওয়ায় বেকারীতে দেওয়া হয়েছে। আজকে থেকে এগুলো দেওয়া বন্ধ করে দিচ্ছি।

    এদিকে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এই পলিথিন শপিং ব্যাগে পণ্য বিক্রি করার বিষয়ে সুগন্ধা বেকারীর চেয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধেই বেশী ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে ক্রেতাদের ।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ক্রেতা ক্ষোভের সঙ্গে জানান, প্রশাসনের লোকেরাই এখান থেকে পণ্য কিনছেন। তারা সব কিছু দেখেও না দেখার ভান করছেন। আমরা সাধারণ জনগন দেখে লাভ কি!

    অপর এক ক্রেতা বলেন, নামকরা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেবে না। কারন এসব প্রতিষ্ঠানের টাকার কাছে তারা বিক্রি হয়ে যায়। নাহলে শহরের বুকে বসে এসব অবৈধ কাজ তারা করতে সাহস পায় কি করে!

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবেশ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ জেলার সহকারী পরিচালক মুজাহিদুল ইসলাম টাইমস নারায়ণগঞ্জকে বলেন, পলিথিনের শপিং ব্যাগ ব্যবহার করা সম্পূর্ণভাবে নিষেধ। তাতে দোকানের নাম প্রিন্ট করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। সুগন্ধা বেকারীর বিষয়টা আমরা জানতাম না। এখন আমরা বিষয়টা সরেজমিনে দেখে জেলা প্রশাসনের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে শাস্তির ব্যবস্থা করবো। পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তাদেরকে নোটিশ প্রদান করবো।