রবিবার, অক্টোবর ১৩, ২০১৯ ,২৮ আশ্বিন ১৪২৬
৩০ নভেম্বর ২০১৮ শুক্রবার , ৭ : ৩৪ অপরাহ্ন

  • আ’লীগে চূড়ান্ত বিএনপিতে নাটকীয়তা

    x

    Decrease font Enlarge font

    02রুদ্র প্রকাশ, টাইমস নারায়ণগঞ্জ: আওয়ামী লীগে প্রার্থী চূড়ান্ত। কিন্তু বিপরীতে বিএনপি ও ঐক্যফ্রণ্টের প্রার্থী নিয়ে চলছে নাটকীয়তা। জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনেই একক প্রার্থী দিয়েছে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট। বিপরীতে নারায়ণগঞ্জের প্রত্যেকটি আসনেই একাধিক প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। সেই সাথে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এবং ঐক্যফ্রণ্টেরও প্রার্থী রয়েছে। ফলে বিএনপির এই প্রার্থী নিয়ে নাটকীয়তা আলোচনার খোরাক তৈরি করেছে। যদিও বিএনপির বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা এটাকে নির্বাচনী কৌশল বলে দাবি করেছেন। তারা বলছেন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আগেই একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

    নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে শুধুমাত্র নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী লিয়াকত হোসেন খোকা ছাড়াও আওয়ামী লীগ থেকে সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ আল কায়সারকে প্রার্থী করা হয়েছে। আব্দুল্লাহ আল কায়সার ২০১৪ সালের নির্বাচনে জোটের কারণে এ আসনটি লিয়াকত হোসেন খোকাকে ছেড়ে দেন।

    আওয়ামী লীগ থেকে নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে নজরুল ইসলাম বাবু, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে জাতীয় পার্টির লিয়াকত হোসেন খোকা, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে শামীম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে জাতীয় পার্টির সেলিম ওসমানকে মহাজোটের প্রার্থী করা হয়। এরা প্রত্যেকেই বর্তমান সাংসদ। শামীম ওসমান ও সেলিম ওসমান দুই ভাই।

    এদিকে বিএনপি ও ঐক্যফ্রণ্ট থেকে এখনও কোন প্রার্থী চূড়ান্ত হয়নি। নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা তৈমূর আলম খন্দকার ও জেলা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে আতাউর রহমান আঙ্গুর ও নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে উপজেলা চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম মান্নান ও খন্দকার আবু জাফর, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে শাহ আলম ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে সাবেক এমপি আবুল কালাম ও সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ দেয়া হয় দলের মনোনয়ন চিঠি। এই আসনে ঐক্যফ্রণ্টের শীর্ষ নেতা এস এম আকরাম ও ২০ দলীয় জোট নেতা সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদকেও মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

    06নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে দুই শিবিরেই বিদ্রোহী: নারায়ণগঞ্জের আলোচিত আসন নারায়ণগঞ্জ-৪। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই শিবিরেই বিদ্রোহের ধানা বেঁেধছে। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে দুইজন আলোচিত প্রার্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

    এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা কাউসার আহমাদ পলাশ। শামীম ওসমানকে নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার প্রেক্ষিতে অনেকেই ধারণা করেছিলেন এবার পলাশকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হতে পারে।

    অন্যদিকে বিএনপি থেকে বিদ্রোহী প্রার্থী হন সাবেক এমপি মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। ২০০১ সালে বিএনপির টিকেটে নির্বাচন করে প্রভাবশালী এমপি শামীম ওসমানকে পরাজিত করেন। ওইসময় নির্বাচনের কিছুদিন আগে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।