বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯ ,৩ আশ্বিন ১৪২৬
০৭ মার্চ ২০১৯ বৃহস্পতিবার , ৮ : ৫৮ অপরাহ্ন

  • দাদীর কবরে চাঁদর বিছিয়ে দিলেন অশ্রুসিক্ত অয়ন ওসমান

    x

    Decrease font Enlarge font

    004টাইমস নারায়ণগঞ্জ: মৃত্যুবার্ষিকীতে দাদীর কবর জিয়ারত করলেন অয়ন ওসমান। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ভাষাসৈনিক নাগিনা জোহার মৃত্যুবার্ষিকীতে বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) তাঁর কবরের পাশে সময় কাটান সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের পুত্র অয়ন ওসমান। এসময় নাগিনা জোহার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়াও করা হয়।

    অশ্রুসিক্ত অয়ন ওসমান নিজ হাতে দাদীর কবরে চাঁদরও বিছিয়ে দেন। এসময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

    ভাষা সৈনিক নাগিনা জোহা ২০১৬ সালের ৭মার্চ মৃত্যুবরণ করেন। একেএম সামসুজ্জোহার এই সহধর্মীনি একজন রতœাগর্ভা। তাঁর তিন ছেলেই একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বড়পুত্র প্রয়াত নাসিম ওসমান জাতীয় পার্টি থেকে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে, মেঝোপুত্র সেলিম ওসমান একই আসন থেকে ও ছোটপুত্র শামীম ওসমান নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন।

    জমিদার পরিবারের সন্তান এই মহিয়সী নারী শুধু রতœাগর্ভাই নন, নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক সামাজিক ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা অপরিসীম। ওসমান পরিবারের রাজনীতির সকলক্ষেত্রে পেছন থেকে সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছেন তিনি।

    নাগিনা জোহা ১৯৩৫ সালে অবিভক্ত বাংলার বর্ধমান জেলার কাশেম নগরের জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাদের পরিবারের পূর্বপুরুষদের নামানুসারেই গ্রামটির নাম কাশেম নগর রাখা হয়। তার বাবা আবুল হাসনাত ছিলেন সমাজ হিতৈষী ও কাশেম নগরের জমিদার। তিনি শিল্প-সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতায় বিশেষ সুনাম অর্জন করেন।

    নাগিনা জোহা ১৯৫০ সালে কলকাতা বিশ্ববিদালয়ের অধীনে  মেট্রিক পাস করেন। ১৯৫১ সালে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ওসমান পরিবারের সন্তান রাজনীতিবিদ এ কে এম শামছুজ্জোহার সঙ্গে তার বিয়ে হয়। স্বামীর বাড়িতে এসেই ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। তার শ্বশুর তৎকালীন এমএলএ খান সাহেব ওসমান আলীর চাষাঢ়ার বাড়ি ‘বায়তুল আমান’ ছিল  সেই সময় আন্দোলন সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দু।