বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯ ,২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
২৩ আগস্ট ২০১৯ শুক্রবার , ১০ : ৫২ অপরাহ্ন

  • নিজেকে বাঁচাতে মুরুব্বী নিয়ে মান্নানের নোংরা খেলা!

    x

    Decrease font Enlarge font

    T-0006প্রতিবেদক, টাইমসনারায়ণগঞ্জ: নিজের অপকর্ম ঢাকতে এলাকার মুরুব্বীদের নিয়ে নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে ‘আদুভাই’ খ্যাত ছাত্র নেতা এম এ মান্নান। এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা হবার পরে কোন রাস্তা না পেয়ে জামায়াত-বিএনপি নেতাদেরও দ্বারস্থ হয়েছেন চতুর চলিশোর্ধ্ব এই ছাত্রনেতা। এলাকায় শুধু অপপ্রচারই নয়, বেশ কিছু গণমাধ্যমে এলাকার পঞ্চায়েত ও স্থানীয় মুরুব্বীদের নিয়ে নানা বিভ্রান্তিকর মন্তব্য দিয়ে এলাকার লোকজনকে ঘায়েল করার নানা ফন্দি-ফিকির করছে।

    এদিকে ফতুল্লার মুসলিমনগরে ছাত্রলীগ নেতা এমএ মান্নানকে পঞ্চায়েত কমিটি অবাঞ্ছিত ঘোষণার পর এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। মান্নানের অপকর্মের মাত্রা বৃদ্ধি এবং ক্ষমতার দাপটে পঞ্চায়েতের লোকদের সাথে খারাপ আচরণ করায় সমাজের সকলে একত্রিত হয়ে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়। তবে মান্নান নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এমনকি নিজের অপকর্ম ঢাকতে ও ঘোলা পানিতে মাছ চাষ করতে চাইছে। স্থানীয় কবরস্থান ও ঈদগাহ কমিটি বিরোধ নিয়ে ইস্যু হিসাবে দাঁড় করতে অপচেষ্টা করছে ছাত্রলীগ নেতা এম এ মান্নান।

    এদিকে অভিযোগ উঠেছে ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ মান্নান একক ভাবে প্রভাব বিস্তার করতে মুসলিমনগর গ্রামে দুই ভাগে বিভক্ত করতে বেশ কিছুদিন ধরে অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। একে একে গ্রামের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় একজন আরেকজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করে। আর বিভিন্ন মসজিদ কমিটি গুলোর মধ্যে দ্বিধাদ্বন্ধে সৃষ্টি করে। সেখানেও তার বলয়ের লোকদের নিয়ে ছক তৈরি করে নিজে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার চেষ্টা চালায়। দীর্ঘদিন ধরে এমন মান্নানের নোংড়া খেলার পর সব ধরনের পরিকল্পনা তথ্য ফাঁস হওয়ার পর পঞ্চায়েতের লোকজন মান্নানের বিরুদ্ধে ফুঁেস উঠে। আর পঞ্চায়েতের প্রধানসহ মুরুব্বীরা মান্নানকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ হিসাবে আখ্যায়িত করার পর হতে মান্নানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিমেন্টের দোকান বন্ধ দেখা যায়।

    জানা গেছে, ফতুল্লার মুসলিনগরে মান্নান ছাত্রলীগ নেতা একক ভাবে প্রভাব বিস্তার করতে এলাকায় আলাদা বলয় তৈরি করে। নিজের সার্থ হাসিল করতে মুসলিমনগরে দুই সহোদর কামাল মাদবর ও জামাল উদ্দিন সবুজের মধ্যেও বিরোধ বাধিয়ে দেয়।

    অন্যদিকে আর মান্নান নিজের অবস্থান ঠিক রাখতে স্থানীয় বিএনপি-জামাতের কিছু লোকজন তার বলয়ে নেয়। নিজের সার্থের জন্য মান্নান ভুলে যায় আওয়ামীলীগ বিএনপি জামাতের রাজনীতির মতপ্রার্থক্য। নিজের পক্ষে সাফাই গাইতে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের এক শীর্ষ নেতার বাড়িতে তাদের হাজির করে। সুবিধাবাদী ওইসব বিএনপি-জামায়াতের লোকজন তোতা পাখির মত মান্নানের শিখিয়ে দেয়া বোল আওড়ায় ওই নেতার সামনে।

    কিন্তু এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণার পরে দুইদিন ধরে এলাকায় নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তালা মেরে লাপাত্তা রয়েছেন এই ছাত্রলীগ নেতা।   তবে এসব বিষয়কে নিজের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বলে দাবি করেন এম এ মান্নান। তিনি বলেন, কারা আমাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে, আমি জানি না।   কিন্তু স্থানীয়রা তার এ দাবিকে অবান্তর বলে দাবি করেন। তাদের দাবি, যেদিন মান্নাননে অভাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয় সে মঞ্চের মাত্র দশ গজের মধ্যেই একটি গাড়িতে বসে ছিলেন এম এ মান্নান।