শনিবার, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৭ ,২ পৌষ ১৪২৪
০৮ ডিসেম্বর ২০১৫ মঙ্গলবার , ৩ : ৩৭ অপরাহ্ন

  • আওয়ামীলীগে কোন যুদ্ধাপরাধী নেই-বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার

    x

    Decrease font Enlarge font

    13টাইমস্ নারায়ণগঞ্জ: একাত্তরে যুদ্ধাপরাধীরা ছিল আওয়ামীলীগের শত্রু। আমার জানামতে আওয়ামীলীগে কোন যুদ্ধাপরাধী নাই। আওয়ামীলীগের মধ্যে এ পর্যন্ত কোন যুদ্ধপারাধী দেখি নাই। যারা আওয়ামীলীগ করে তারা দেশকে ভালবেসেছে বলেই জয়বাংলা শ্লোগানে রাজপথে নেমেছে। আর যারা জয়বাংলা শ্লোগানে মুক্তিযুদ্ধ করেছে তারা বঙ্গবন্ধুকে ভালবেসে তাঁর নেতৃত্বে স্বাধীনতা অর্জনের নেশায় শত্রুর গোলাবারুদের সামনে বুক পেতে দিয়েছে। বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে একাত্তরের স্মৃতিচারণ এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে টাইমস্ নারায়ণগঞ্জকে দেয়া একান্ত স্বাক্ষাৎকারে আওয়ামীলীগে কোন যুদ্ধাপরাধী আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন বন্দরের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জব্বার। মো: আব্দুল জব্বার জানান, তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন সিটি করপোরেশনের ২২ নং ওয়ার্ডের ২৫২/১ এইচ এম সেন রোড এলাকার মৃত: আব্দুল ছোবাহান সরদারের ছেলে। তাঁর ২ছেলে ৩ মেয়ে। ছেলেরা বড় মেয়েরা ছোট। বড় ছেলে ব্যবসায়ী,ছোট ছেলে প্রবাসী এবং মেয়েরা গৃহিনী। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি আওয়ামীলীগের সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে আমরা মুক্তিযোদ্ধারা অনেক মূল্যায়ন পেয়েছি। আর্থিক সম্মানী ও সামাজিক মর্যাদা দুটোই পেয়েছি। বিজয়ের মাস আমাদের গর্বের মাস। সুখে থাকি আর দুঃখে থাকি এ মাসকে আমরা মুক্তিযোদ্ধারা আনন্দের সাথেই বরণ করি। আমরা মুক্তিযোদ্ধারা যখন অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছি কোন কিছুর বিনিময়ে নয়। শুধু লক্ষ্য ছিল একটাই আমার দেশটাকে স্বাধীন করবো। আজ বিজয়ের আনন্দই আমাদের জন্য পরম পাওয়া। জাতির কাছে আমাদের এই দিনে একটাই প্রত্যাশা। আমরা জীবনের ঝুকি নিয়ে সহদর ভাইদের রক্ত আর মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এই দেশের স্বাধীনতা আনতে স্বক্ষম হয়েছি। এ জন্য মহান আল্লাহর দরবারের শুক্রিয়া ও কৃতজ্ঞতা জানাই। সেই সাথে প্রত্যাশা করবো বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্ম এ দেশকে শিক্ষা,শক্তি,শ্রম, মেধা এবং সততা দিয়ে এমনভাবে গড়ে তুলবে যেন এ দেশ বিশ্বের মানচিত্রে একটি স্বাধীন সার্বভৌম ও সমৃদ্ধশালী স্বানির্ভর দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে পারে। আব্দুল জব্বার আরও বলেন, মাত্র ১৫ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করি। ২নং সেক্টরে মেলাঘরে ভারত ট্রেনিংয়ের পর যুদ্ধ করি। একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর রাতভর বন্দরের কল্যান্দি থেকে বর্তমান সময়ক্ষেত্রে সহ আশপাশে রাতভর যুদ্ধ করার পর ১৬ ডিসেম্বর যখন জানতে পারি শত্রুপক্ষরা আত্মসমর্পণ করেছে এবং আমাদের কাছে পরাস্ত হয়ে পালিয়ে যাচ্ছে তখনই বেশ আনন্দ পেয়েছি এবং আজও সেই খুশিতে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধ,ু বাংলাদেশ চিরজীবী হউক’ দেশ কাপাঁনো এই শ্লোগানে উল্লাস করি। সবশেষে একাত্তরের রনাঙ্গণে যারা শহীদ হয়েছেন এবং পরবর্তীতে স্বাধীনতা উত্তর এ ৪৪ বছরে যে সব মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা হারিয়েছি। সেই সব বীর সেনাদের মাগফেরাত কামনা করছি।